ads
ইপেপার আর্কাইভ
logo

সাড়ে ৩ মাসপর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ এল ৩০ টন, আমদানি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশকাল: ৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৩ পি.এম
সাড়ে ৩ মাসপর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ এল ৩০ টন, আমদানি শুরু

পেঁয়াজ- ছবি ইন্টানেট থেকে নেয়া।

সাড়ে ৩ মাস বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভারত থেকে একটি পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক হিলি বন্দরে প্রবেশ করে। ট্রাকটিতে প্রায় ৩০ টন পেঁয়াজ ছিল। আমদানি হওয়া ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি মেট্রিক টন ৪১০ মার্কিন ডলারে শুল্কায়ন করা করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। র্সবশেষে চলতি বছরের ১৪ আগস্ট এই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। হিলি বন্দরের ৪টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ১২০ টন করে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।

এদিকে, পেঁয়াজ আমদানির খবরে দেশি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩০ টাকা। ১১০ টাকা কেজি দরের মুড়ি কাটা পেঁয়াজ আজ বিক্রয় হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। দেশীয় শুকনো ১৩০ টাকা দরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। 

প্রথম চালানটি আমদানি করেছে মেসার্স রকি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। পেঁয়াজ আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রকি মিয়া। দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক দিন পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হয়েছে।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রকি মিয়া জানান, আজ ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে ট্রাকে ৩০ টন ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তবে আজকের আমদানিকৃত পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৭০-৭৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে। আমদানি বৃদ্ধি পেলে বাজারে দাম আরও কমে আসবে।

তিনি আরও জানান, প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ২৫০ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হচ্ছে। তবে ভারতীয় ইনভয়েস (চালান মতে) ২৪৫ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হয়েছে।

বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, সরকার পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত আরও আগে নিলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকত। সরকার ভারত থেকে সীমিত পরিসরে ১২০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। নতুন করে পেঁয়াজ আমদানির আইপি অনুমতি জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। কারণ একটি ভারতীয় ট্রাকে ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। আগে ৪ থেকে ৫ হাজার টন পর্যন্ত আইপি দেওয়া হতো।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হক বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বেশি করে শুরু হলে বাজারে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং আরও কমে আসবে বলে আমি মনে করি।

হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধের উপসহকারী ইউসুফ আলী জানান, বন্দরের ৪টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ১২০ টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছে।

হিলি কাস্টমস এর রাজস্ব কর্মকর্তা বাধন জানান, আমদানিকৃত পেঁয়াজ দ্রুত সরবরাহ করতে কাস্টমস সবধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে বলে জানান ।
 

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ